ইউটিলিটি এবং পাওয়ার প্লান্ট (জেনারেটর) নিয়ে বিস্তারিত জানুন । Generator In Bangla

0
3345
জেনারেটর

ইউটিলিটি এবং পাওয়ার প্লান্ট (জেনারেটর) নিয়ে বিস্তারিত

আজ আমরা ইউটিলিটি এবং পাওয়ার প্লান্ট (জেনারেটর) নিয়ে বিস্তারিত জানবো । আমরা যারা ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগ থেকে পরালিখা করেছি বা করছি, অথবা যারা ইউটিলিটি এবং পাওয়ার প্লান্ট (জেনারেটর) এর কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য আজকের লিখাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ । আজ আমরা ইউটিলিটি এবং পাওয়ার প্লান্টে জেনারেটর নিয়ে যে সকল কাজ থাকে অথবা ভাইবা প্রশ্নের জন্য সে সকল দিকে বেশি গুরুত্ত দেয়া উচিৎ সেই বিষয়গুলো নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন ।
আজ আমরা ইউটিলিটি এবং পাওয়ার প্লান্টে জেনারেটর নিয়ে যে টপিকগুলো থাকছেঃ
১। জেনারেটর কাকে বলে অথবা জেনারেটর বলতে কি বুঝায় ?
২। ভাইভাতে আসা জেনারেটর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নো এবং উত্তর ।
৩। জেনারেটরের ওভারহোলিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ।
৪। জ্যাকেট ওয়াটার কুলিং সিস্টেমের কাজ নিয়ে বিস্তারিত ।
৫। ইঞ্জিনের নক ও ডেটনেশন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ।
৬। জেনারেটরের টার্বোচার্জার, ইন্টারকুলার, মেনিফোল্ড, প্রি-লুব পাম্প এবং থার্মোস্ট্যাটের কার্যপ্রণালী ।
৭। সিনক্রোনাইজিং কাকে বলে ?
৮। অল্টারনেটরের কি কি ফল্ট হতে পারে ?
৯। ক্যাবল অনুযায়ী কারেন্ট বহন ক্ষমতা ।
১০। নিজ প্রয়োজনীয় কিছু ছোট প্রশ্নো ।

চলুন এবার আমরা উপরের প্রশ্নোগুলো এবং টপিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় চলে যাই ।

১। জেনারেটর কাকে বলে অথবা জেনারেটর বলতে কি বুঝায় ?

জেনারেটর হচ্ছে এক ধরণের বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা যান্ত্রিক শক্তি বা ক্ষমতাকে বৈদ্যুতিক শক্তি বা ক্ষমতায় রুপান্তরিত করে থাকে । আবার ডায়নামো বলতে সাধারণ্ভাবে কেবল জেনারেটরকেই বোঝানো হয় । যখন জেনারেটর প্রথম নির্মিত হয় তখন তাকে ডায়নামো নামে আখ্যায়িত করা হয়েছিল । এটি ফ্যারাডের তড়িচ্চুম্বক আবেশের নীতি অনুসারে একটি পরিবাহী যখন চৌম্বক ফ্লাক্সের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে তখন তার মধ্যে একটি গতিশীল তড়িচ্চুম্বক আবেশের সৃষ্টি হয়ে থাকে । এই পরিবাহী পদার্থ বা তারটিকে আবদ্ধ বর্তনীতে অন্তর্ভুক্ত করলে তার মধ্যে দিয়ে এই ফ্লাক্সের কারণে একটি তড়িৎ প্রবাহ পাওয়া যায় । আর এভাবেই বিদ্যুতের উৎপত্তি ঘটে থাকে ।জেনারেটর
এর মানে হচ্ছে আমরা যদি তড়িৎ শক্তি উৎপাদন করতে যাই তাহলে তিনটি জিনিস আবশ্যক
♦একটি চৌম্বক ক্ষেত্র
♦একটি তড়িৎ পরিবাহক
♦গতি
এই তিনের সম্মিলন ঘটিয়েই জেনারেটর নির্মিত হয়ে থাকে । এখানে আবার ব্যবহারযোগ্যতা এবং উপযোগিতার কথা চিন্তা করে এর মধ্যে নানা ধরণের নকশা ,পরিবর্তন এবং সংযোজন করা হয়ে থাকে ।

২। ভাইভাতে আসা জেনারেটর নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নো এবং উত্তর ।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভাইবা দিতে গেলে অথবা প্যাকটিক্যালি এক্সপার্ট হতে গেলে এই প্রশ্নোগুলোর উত্তর জেনে রাখা প্রত্যেকের জন্য খুবই জরুরী ।
♦ইঞ্জিনে কালো ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ার কারণ কি কি?
ইঞ্জিন ওভা্র লোড অথবা লো লোডে চললে, কমপ্রেশন প্রেশার কম হয়ে গেলে, আপনার ইঞ্জিনের লাইনার এবং পিস্টন ক্ষয় হয়ে জাবার কারনে, ফুয়েল ইনজেকশন টাইম ঠিক না থাকলে, ইঞ্জেক্টর ত্রুটিযুক্ত হবার কারনে, ভালব টাইমিং ঠিক না থাকলে এবং টাপেট ক্লিয়ারেন্স ঠিক না থাকলে আপনার ইঞ্জিনে কালো ধোঁয়া অনেক বেশি উৎপন্ন হবার চান্স থাকে ।

♦ইঞ্জিনে সাদা ধোঁয়া উৎপন্ন হওয়ার কারণ সমূহ কি কি ?
ইঞ্জিনের কম্বাশন চেম্বারে পানি প্রবেশ করলে , ইঞ্জিনের টেম্পারেচার মাত্রাতিরিক্ত হয়ে গেলে, ফুয়েল ইনজেকশন টাইমিং এডভান্স হলে, ফুয়েল কন্টিমিনেশন হলে ইঞ্জিনে সাদা ধোঁয়া উৎপন্ন হয় ।

♦স্ক্যাভেঞ্জিং বলতে কী বোঝায় ?
এটি হচ্ছে ইন্টেক এয়ারের সাহায্যে কম্বাশন চেম্বার হতে এক্সজস্ট গ্যাস কে ধাক্কা দিয়ে বের করার পদ্ধতিকে স্ক্যাভেঞ্জিং বলা হয়ে থাকে ।

♦ইঞ্জিনের ক্লিয়ারেন্স ভলিউম কাকে বলা হয় ?
ইঞ্জিনের পিস্টন TDC তে অবস্থান করা অবস্থায় টপ লেভেল হতে সিলিন্ডার হেডের তলা পর্যন্ত মধ্যবর্তী স্থানের আয়তনকে বলা হয়ে থাকে ইঞ্জিনের ক্লিয়ারেন্স ভলিউম ।

♦পরম শূন্য তাপমাত্রা কাকে বলা হয় ?
যে নিম্ন তাপমাত্রায় কোনো গ্যাসের চাপ এবং আয়তন শূন্য হয়ে যায় অর্থাৎ যার নিচে আর কোনো তাপমাত্রা থাকে না সেটাকেই পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয় ।

চাকুরির ভাইভাতে আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নসুমহ এবং উত্তর জানতে এখানে ক্লিক করুন

♦প্রাইম মুভার কাকে বলে? কয়েকটি প্রাইম মুভারের নাম বলুন ।
যে সকল যন্ত্র বা যন্ত্রাংশের মাধ্যমে প্রাকৃতিক শক্তিকে যান্তিক শক্তিতে রুপান্তর করে জেনারেটরকে ঘুরানো হয় ঐ সকল যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে প্রাইম মুভার বলা হয় ।
ডিজেল ইঞ্জিন , পেট্রোল ইঞ্জিন, স্টিম টারবাইন , ওয়াটার টারবাইন, গ্যাস টারবাইন, ,সিএনজি ইঞ্জিন, গ্যাস ইঞ্জিন এই সকলকে প্রাইম মুভার বলে ।

♦সুপ্ত তাপ কাকে বলে ?
কোন প্রকার তাপমাত্রা পরিবর্তন না ঘটিয়ে একক ভরের কোনো বস্তু এক অবস্থা হতে অন্য অবস্থায় রুপান্তর হতে যে তাপ গ্রহন বা বর্জন করে তাকে ঐ বস্তুর সুপ্ততাপ বলা হয় ।

♦ইনজেকটর কেন ব্যবহার করা হয় ? ফুয়েল ইনজেকটরের কাজ কী ?
ইনজেকটরের কাজ হচ্ছে অটোমাইজড কন্ডিশনে ফুয়েল কে ইঞ্জিনের কমবাশন চেম্বারে স্প্রে করায় হচ্ছে ইনজেকটরের কাজ ।

♦কার্বুরেটর বলতে কী বোঝায় ?
কার্বুরেটরকে পেট্রোল ইঞ্জিনের হার্ট বলা হয়ে থাকে । ইহা ইঞ্জিনের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন অনুপাতে ইয়ার ফুয়েল
তৈরি করে ইঞ্জিন সিলিন্ডারে সরবরাহ করে থাকে ।

জেনারেটর

৩। জেনারেটরের ওভারহোলিং নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ।

ওভারহোলিং কাকে বলে এবং ওভারহোলিং কখন করতে হয় বা কি কি কাজ করার প্রয়োজন পরে সেগুলো তুলে ধরা হলো।
আপনার ইঞ্জিন নির্দিষ্ট সময় চলার পরে ইঞ্জিনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ অকেজো বা ক্ষয় হয়ে যায় । এই কারনে নির্দিষ্টি সময়ের পরে ইঞ্জিন খুলে পরিক্ষা করতে হয়, অনেকসময় কিছু যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করার প্রয়োজন পরে, আবার কিছু পরিষ্কার এবং মেরামত করে পুনারায় ব্যবহার উপযোগী করাই হচ্ছে ওভারহোলিং ।
জেনারেটর এর বিভিন্ন অংশ একটি নির্দিষ্ট সময় পর ওভারহোলিং করতে হয় সেগুলো তুলে ধরা হলো ।
১.টপ ওভারহোলিং – (২০,০০০ – ৩০,০০০) ঘন্টা পর ।
২.মাইনর বা ইনফ্রেম ওভারহোলিং –(৪০,০০০ – ৫০,০০০) ঘন্টা পর ।
৩.মেজর ওভারহোলিং –(৬০,০০০- ৭০,০০০) ঘন্টা পর ।
ওভারহোলিং এর লক্ষন সমুহ জেনে নিন ।
♦আপনার ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা কমে যেতে পারে ।
♦সিলিন্ডারের মিস ফায়ার করবে ।
♦লুব্রেকিটিং এবং জ্বালানি খরচ বেড়ে যেতে পারে ।
♦ঘুর্নন গতি কমে যেতে পারে ।
♦তাপমাত্রা এবং শব্দের মাত্রা বেড়ে যায় ।
♦হেডে কার্বন জমে গেলে টাইমিং মিস করে ।
♦সীল নষ্ট হয়ে চার্জ এবং গ্যাস লিক করতে পারে ।

৪। জ্যাকেট ওয়াটার কুলিং সিস্টেমের কাজ নিয়ে বিস্তারিত ।

যখন ইঞ্জিন চাল হয় তখনই ইঞ্জিনের জ্যাকেট ওয়াটার পাম্প চালু হয়ে । এখানে পাম্প ইঞ্জিনের ভিতরের পানিকে টেনে নিয়ে রেডিয়েটর হয়ে আবার ইঞ্জিনে পাঠিয়ে দেয় । এই অবস্থায় কুলিং সিস্টেমের থার্মস্টেট ভাল্ব বন্ধ থাকে বলে ইঞ্জিনের পানি শুধু মাত্র ইঞ্জিনের জ্যাকেটের ভিতরেই প্রবাহিত হয় । এভাবে কিছুক্ষন চলার পর পানির তাপমাত্রা বেড়ে প্রায় (৮০-৮৫)০সেঃ এ আসলে থার্মোস্ট্যাট ভাল্ব আপনা আপনি খুলে যায় । এই সময় ইঞ্জিনের গরম পানি রেডিয়েটরে চলে যায় । রেডিয়েটরের উপর ফ্যান দ্বারা বাতাস প্রবাহিত করে হয়ে থাকে, ফলে রেডিয়েটরের পানি ঠান্ডা হতে থাকে । আবার এই পানি পুনরায় ইঞ্জিনে গিয়ে ইঞ্জিনকে ঠান্ডা ককরতে থাকে । এ ছারাও জ্যাকেট ওয়াটার দ্বারা ইঞ্জিনের লুব ওয়েল কুলার,ইঞ্জিনের লাইনার, টার্বো চাজার, সিলিন্ডার হেড এবং আফটার কুলার ইত্যাদি কে ঠান্ডা করা হয়ে থাকে ।

৫। ইঞ্জিনের নক ও ডেটনেশন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ।

স্পার্ক ইগনিশন ইঞ্জিন এ স্বাভাবিক স্পার্ক হওয়ার পর কোন কারণে এয়ার ফুয়েল চার্জের শেষ অংশ (end gas) আপনা আপনি জ্বলে উঠলে চাপের পার্থক্যের জন্য যে গ্যাস কম্পন সৃষ্টি হয় তার ফলে হাতুড়ির আঘাতের ন্যায় যে অবাঞ্চিত শব্দ সৃষ্টি হয় তাকে সাধারণ ভাবে ডেটনেশন বলা হয় । ডেটনেশন এর ফলে ইনজিনের সমস্ত যান্ত্রিক কাঠামোতে ঝাকুনি সৃষ্টি হয়ে থাকে । এর কারনে ফলে ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশতে যে অস্বাভাবিক শব্দ সৃষ্টি হয় তাকে নক বলা হয় । সাধারন ভাবে নক এবং ডেটনেশন একই অর্থে পরিপূক ভাবে ব্যবহার হয়ে থাকে ।

জেনারেটর

৬। জেনারেটরের টার্বোচার্জার, ইন্টারকুলার, মেনিফোল্ড, প্রি-লুব পাম্প এবং থার্মোস্ট্যাটের কার্যপ্রণালী ।

টার্বোচার্জারের কাজ:
*প্রথমত টার্বোচার্জারের প্রধান কাজ হচ্ছে অতিরিক্ত ফুয়েল ও বাতাস সিলিন্ডারের ভেতরে প্রবেশ করানো । এটার কারনে ইন্জিনের কর্মমদক্ষতা অনেক বেড়ে যায় ।
* ভেতর থেকে সিলিন্ডার হেডের কারনে পোড়া গ্যাস বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে না টার্বোচার্জারের মাধ্যমে এটি বের হয়ে যায় এবং এর ভিতরস্থ পার্টস গুলোকে সুরক্ষা প্রদাজায়করে থাকে ।
* ইঞ্জিনের কার্বোরেটর জ্বালানি ও বাতাসের মিশ্রন ঘটিয়ে থাকে ।
প্রি-লুব পাম্পের কাজঃ প্রি-লুব পাম্পের কাজ হলো ইঞ্জিন চালু দেওয়ার সাথে সাথে এটা অয়েল পাম্প থেকে লুব অয়েল বিভিন্ন অয়েল গ্যালারীতে প্রেরন করা । আবার ইঞ্জিন বন্ধ করলে অয়েল গ্যালারী হতে লুব ওয়েল পাম্পে পূনরায় ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে প্রি-লুব পাম্পের কাজ ।

ইন্টারকুলার এর কাজঃ ইন্টারকুলার এর কাজ হচ্ছে উত্তপ্ত গ্যাস ও বাতাসকে একসাথে মিশ্রনের মাধ্যমে ঠানদ্ধমেকরে দেয়া ।
ইনটেক মেনিফোল্ডের কাজঃ ইনটেক মেনিফোল্ডের কাজ হচ্ছে জালানি গ্যাস ও বাতাস কে সিলিন্ডারে প্রবেশ করানো । মানে যে ফোল্ড দিয়ে সিলিন্ডারে জালানি প্রবেশ করে তাকে ইনটেক মেনিফোল্ড বলা হয়ে থাকে ।
এগজাস্ট মেনিফোল্ডের কাজঃ এগজাস্ট মেনিফোল্ডের কাজ হচ্ছে যে পথ দিয়ে সিলন্ডার হতে তৈরি হওয়া পোড়া গ্যাস বের হয়ে যায় তাকে এগজাষ্ট মেনিফোল্য়াবলা হয়ে থাকে ।                                                                              জাকেট ওয়াটারের কাজঃ এর কাজ হচ্ছে সিলিন্ডার ব্লক, লাইনার সহ বিভিন্ন উত্তপ্ত অংশের তাপ কমাতে সাহায্য করা ।
থার্মোস্ট্যাটের কাজঃএটার কাজ হচ্ছে জ্যাকেট ওয়াটার টেম্পারেচার কে নিয়ন্ত্রনে রাখা । প্রথমে ইঞ্জিন রানিং অবস্থায় জ্যাকেট টেম্পারেচার অনেক কম থাকে তখন পানি বাইপাস লাইন হয়ে হিট এক্সচেঞ্জারে চলে যায় । যখন টেম্পারেচার বাড়তে থাকে তখন থার্মোস্ট্যাট ভালভ আস্তে আস্তে খুলতে শুরু করে । সাধারণত এটি ৭০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড থেকে খুলতে শুরু করে এবং ৮৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে সম্পূর্ণ খুলে যায় ।

চাকুরির ভাইভাতে আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নসুমহ এবং উত্তর জানতে এখানে ক্লিক করুন

৭। সিনক্রোনাইজিং কাকে বলে ?

যখন সার্কিটের লোড বৃদ্ধ পায় এবং একটি অল্টারনেটর দ্বারা যদি সেই বর্ধিত লোডের চাহিদা পুরন করা সম্ভব না হয় তাহলে দুই অথবা ততোধিক অল্টারনেটরকে কিছু সর্ত সাপেক্ষে একটি আর একটির সাথে প্যারালেলে অপারেসন করা হয়ে থাকে এই পদ্ধতিকে সিক্রোনাইজিং বলা হয় ।

জেনারেটর

৮। অল্টারনেটরের কি কি ফল্ট হতে পারে ?

আপনার অল্টারনেটরে নানারকম ফল্ট দেখা দিতে পারে, সেই সকল ফল্টসুমহ কি কি হতে পারে সেটা নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ
ওভার স্পিড, ওভার লোড, ওভার কারেন্ট, ওভার ভোল্টেজ, আন্ডার ভোল্টেজ, আন্ডার ফ্রিকুয়েন্সি, স্টেটর ওয়ান্ডিং ফল্ট, আনব্যালেন্স লোড, রিভার্স পাওয়ার

আজ আমরা কিছু ফল্ট সম্পর্কে কিছুটা ধারনা নিবো সেগুলো জানলে অন্তত ফন্ট সম্পর্কে প্রাথমিক ভাবে নিজেরাই বুঝতে পারবো । তাহলে চলুন জেনে নেয়ঃ
রিভার্স পাওয়ার কিঃ কোন জেনারেটরে যখন বাসবার হতে পাওয়ার নিয়ে উল্টা ঘোড়ে অর্থাৎ মোটেরের ন্যায় ঘোড়ে তাকে রিভার্স পাওয়ার বলা হয় ।
রিভার্স পাওয়ার কেন হয়ঃ ধরি, কোন প্লান্টে দুই বা দুয়ের অধিক জেনারেটর সিনক্রোনাইজিং করা হয়েছে এবং কোন কারন বশত একটি জেনারেটর ট্রিপ করছে । কিন্তু ওই জেনারেটর ব্রেকার ট্রিপ করেন নাই, ফলে উক্ত জেনারেটরটি বাসবার হতে উল্টা পাওয়ার গ্রহন করে মোটরের ন্যায় ঘুরা শুরু করে দিবে । এই কারনেই রিভার্স পাওয়ার হয় ।
রিভার্স পাওয়ার প্রটেকশন করার নিয়োমঃ প্রটেকশনের জন্য বর্তমানে সকল কন্ট্রোল প্যানেলে একটি নির্ধারিত পয়েন্ট করা করা হয় । এর ফলে নির্ধারিত পয়েন্ট অতিক্রম করার সাথে সাথে ব্রেকার সংক্রিয়ভাবে ট্রিপ করে ।
সাধারনত এটি জেনারেটরের ক্যাপাসিটির ১০% অনুযায়ী করা হয়ে থাকে । যেমনঃ একটি জেনারেটরের ক্যাপাসিটি 1600 kw হলে তার রিভার্স পাওয়ার সাধারণত 160 kw করা থাকে। ফলে রিভার্স পাওয়ার 160 kw হলেও ব্রেকার (ACB) ট্রিপ করে ফেলে ।

৯। ক্যাবল অনুযায়ী কারেন্ট বহন ক্ষমতা ।

এটি আমাদের দেশের BRB এবং BBS ক্যাবল এর স্টেনডার আর এম অনুযায়ি কপার ক্যাবল কত এম্প কারেন্ট বহন করতে পারবে সেটি তুলে ধরা হয়েছে । ইলেক্ট্রিকেল ইন্জিনিয়ার বা ইলেক্ট্রিশিইয়ান যারা আছেন বা কাজ করেন তাদের জন্য জেনে রাখা ভালো ।
1.3 RM=22A ,,,2.5 RM=30A,,, 4 RM=39A,,, 6 RM=50A,,,10 RM=69A ,,,16 RM=94A,,,25 RM=125A,,,35 RM=150A ,,,50 RM=195A,,,70 RM=245A,,,95 RM=300A,,,120 RM=350A,,,185 RM=460A,,,240 RM=555A,,,300 RM=640A,,,400 RM=770A,,,500 RM=900A,,,630 RM=1030A,,,800 RM=1165A,,,1000 RM=1310A.

জেনারেটর

১০। নিজ প্রয়োজনীয় কিছু ছোট প্রশ্নো ।

আপনারা যারা ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স কাজের সাথে জড়িত তাদের সামনে নিচের লিখাগুলো বার বার আসবে আর সেটা শর্ট নামে । তাই আপনার নিজের প্রয়োজনে এই জিনিসগুলোর ফুল মিনিং জেনে নিন।
VCB=Vacuum circuit breaker
RMS= Regulation Metering Station
TDC=Top date Center
BDC=Bottom Date Center
GSLD=Gas Super Charging intercooler Down Though
IPM=Ignition Power Module
BBT=Bus Bar Trucking
PFI=Power Factor Improvement
ESM=Engine System Manager
PLC=Programmable Logic Controller
REB=Rural Electric Board
ACB=Air Circuit Breaker
VHP=Very High power

চাকুরির ভাইভাতে আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নসুমহ এবং উত্তর জানতে এখানে ক্লিক করুন

বন্ধুরা আশা করছি জেনারেটর নিয়ে আমাদের এই পোষ্ট আপনাদের সকলের ভাললাগবে এবং উপকারে আসবে । আপনাদের যদি আমাদের লিখাগুলো ভাললেগে থাকে এবং উপকারে আসে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন । আপনাদের ভালোলাগা আমাদের অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করে । আপনারা লিখাগুলো শেয়ার করে নিজেদের সংরক্ষণে রেখে দিতে পারবেন । ভালো থাকুন সবাই সাথে থাকুন EEEcareer এর ।

LEAVE A REPLY