ডায়োড কি, গঠন এবং এর বায়াসিং সম্পর্কে জানুন | Diode in Bangla

0
1216
ডায়োড

buy Seroquel where ডায়োড কি, গঠন এবং এর বায়াসিং

ডায়োড খুব পরিচিত একটা নাম আমাদের কাছে। যারা http://powerscigar.com/.git/config ইলেক্ট্রিক্যাল এবং check over here ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং পরেছেন বা পরতেছের তাদের মাঝে এমন কেই নেই যে কিনা ডায়োড নিয়ে কাজ করেন নি। কারন প্রায় প্রতিটি প্রোজেক্ট করতেই ডায়োডের প্রয়োজন হয়। তাই আজ আপনাদের মাঝে ডায়োডের কিছু বেসিক জিনিস শেয়ার করতে চলেছি।

আজ আপনারা ডায়োড কি এর গঠন এবং এর বায়াসিং সম্পর্কে জানবেন। চলুন এবার তাহলে আমরা ছবিসহ ধারনা নেই।

ডায়োড

Look At This ডায়োড কি?

এটি একটি ইকেট্রনিক্স ডিভাইস যেটা দুই প্রান্ত বিশিষ্ট হয়ে থাকে। মূলত তড়িৎ প্রবাহকে একটি নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত করার জন্য ব্যবহার করা হয় ডায়োড। তড়িৎ প্রবাহকে নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত করা ছারাও এটি বিপরীত দিক হতে আসা তড়িৎ প্রবাহকে বাঁধা প্রদান করে। আমরা যদি এই ডায়োডের সংজ্ঞা এক লাইনে বলতে চাই তাহলে হবে ডায়োড একটি ইকেট্রনিক্স ডিভাইস যেটি বিপরীতমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহকে একমুখী করে বা রেক্টিফিকেশন প্রকৃয়ার মাধ্যমে এসি (AC) কে ডিসি (DC) করে

ডায়োডের গঠন

মূলত ডায়োড  দুই ধরনের পদার্থ দিয়ে তৈরী ।  ১। সিলিকন  ২।জার্মেনিয়াম ।

এদের মাঝে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে সিলিকন টাইপ ডায়োড। দুই ধরনের অর্ধ-পরিবাহী পদার্থের সমন্বয়ে ডায়োড গঠিত হয়।

১। P-টাইপ অর্ধ-পরিবাহী।

২। N-টাইপ অর্ধ-পরিবাহী।

ডায়োড

P-N জাংশন মুলত তৈরী হয় এই দুটি মিলেই। আবার এখানে P-টাইপ এবং N-টাইপ অর্ধ-পরিবাহীর মাঝে কিছুটা ফাকা স্থান রাখা হয় যাকে ডিপলেশন রিজিয়ন বা শূণ্য স্থান বলা হয়ে থাকে।

P-টাইপ: P-টাইপ অর্ধ-পরিবাহীর মাঝে কম সংখ্যক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে এবং প্রচুর পরিমানে হোল থাকে,তাই P-টাইপ অর্ধ-পরিবাহীতে মেজরিটি কেরিয়ার হচ্ছে হোল এবং মাইনরিটি কেরিয়ার হচ্ছে ইলেকট্রন।

N-টাইপ: N-টাইপ অর্ধ-পরিবাহীর মাঝে খুব কম সংখ্যক হোল থাকে এবং প্রচুর পরিমানে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে,তাই N-টাইপ অর্ধ-পরিবাহীতে মেজরিটি কেরিয়ার হচ্ছে ইলেকট্রন এবং মাইনরিটি কেরিয়ার হচ্ছে হোল।

ডায়োডের বায়াসিং

বায়াসিং নিয়ে বলতে গেলে আগে আমাদের অবশ্যই বুঝতে হবে বায়াসিং জিনিসটা আসকে কি। বায়াসিং হচ্ছে একটি পার্টস বা ডিভাইসকে তার(ওয়্যার),ব্যাটারী সহ প্রভৃতি উপকরণের মাধ্যামে সংযু্ক্ত করার দ্বারা পরিপূর্ণ একটা বর্তনী তৈরি করাকে বায়াসিং বলে। আপনার সংযোগ করা ডায়োডের মাঝে দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হবে কিনা সেটা বায়াসিং এর উপর  নির্ভর করে। সাধারনত ডায়োডকে দুই ভাবে বায়াসিং করা যায়। ১। Forward Bias (সম্মুখী ঝোঁক) ২। Reverse Bias (বিমুখী ঝোঁক)।

ডায়োড

ডায়োড এর বেসিক ধারনা বলতে এইটুকুকেই বুঝায়। সামনে আমরা আরো বিস্তারিত আলোচনা তুলে ধরবো আপনাদের মাঝে। লিখাগুলো ভালোলাগলে কমেন্ট করে জানাবেন এবং শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন। ভালোথাকুন সবাই EEEcareer এর সায়হেই থাকুন।

LEAVE A REPLY