বেসিক ইলেকট্রনিক্স এর অতি সংক্ষিপ্ত কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর জানুন | Viva in Bangla

2
3458
বেসিক ইলেকট্রনিক্স

বেসিক ইলেকট্রনিক্স এর অতি সংক্ষিপ্ত কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর জানুন

আজ আমরা বেসিক ইলেকট্রনিক্স এর অতি সংক্ষিপ্ত কিছু প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর জানবো । যারা ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স এর ছাত্র ছাত্রী অথবা যারা এই বিভাগ নিয়ে পরালিখা করেছেন তাদের ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে বেসিক কিছু ধারনা থাকা খুব জরুরী । কারন ইলেক্ট্রনিক্স এর বেসিক প্রশ্নের উত্তর প্রায় সবার কাছে কঠিন মনে হয়, যে কারনে আমরা পিছিয়ে পরি ইলেক্ট্রনিক্স এর কোন প্রশ্ন ভাইবাতে জিজ্ঞেস করলে।

চলুন তাহলে জেনে নেই বেসিক ইলেকট্রনিক্স এর কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর

প্রশ্নঃ রেজিস্টর কি ?  বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টরের নাম লিখ ।

⇒ ইলেকট্রিকাল ও ইলেকট্রনিক্স সার্কিটে কারেন্ট প্রবাহকে সীমিত  রাখার জন্য এবং কারেন্ট প্রবাহের পথে বাঁধা দেয়ার জন্য যে উপাদান ব্যবহার করা হয় তাকে রেজিস্টর বা রোধক বলা হয় ।

বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টরঃ ওয়্যারউন্ড রেজিস্টর, সিরামিক রেজিস্টর, ফিল্ম টাইপ,কার্বন রেজিস্টর ইত্যাদি ।

প্রশ্নঃ কালার কোড পদ্ধতি কি ?  বিভিন্ন রং এর মান লিখ ।

⇒ রেজিস্টরের গায়ের রং দেখে রেজিস্টরের মান নির্নয় করার পদ্ধতিকে বলা হয় কালার কোড পদ্ধতি ।

বিভিন্ন রং এর মানঃ  কালো ০,  বাদামী=১,  লাল=২,  কমলা=৩,  হলুদ=৪,  সবুজ=৫,  নীল=৬, বেগুনী=৭,  ধূসর=৮, সাদা=৯,  সোনালী  =৫%,  রুপালী =১০%,  নো কালার =২০%

বেসিক ইলেকট্রনিক্স

প্রশ্নঃ রেজিস্টেন্স, ক্যাপাসিটেন্স ও কন্ডাকটেন্স বরতে কি বুঝ ?

রেজিস্টেন্সঃ রেজিস্টর যে ধর্মের কারনে বাধা প্রদান করে সেই ধর্মকে রেজিস্টেন্স বলা হয় ।

ক্যাপাসিটেন্সঃ ক্যাপাসিটরের যে বৈশিষ্টের কারনে চার্জ সঞ্চয় বা ধারন করে তাকে ক্যাপাসিটেন্স বলা হয় ।

কন্ডাকটেন্সঃ কন্ডাকটর যে বৈশিষ্টের কারনে এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে তাকে কন্ডাকটেন্স বলা হয় ।

ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স এর ভাইভাতে আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং উত্তর জানতে এখানে ক্লিক করুন

প্রশ্নঃ টলারেন্স ব্যান্ড বলতে কি বোঝ ?

⇒ কোন রেজিস্টরের শেষ কালার বা ব্যান্ডকে টলারেন্স ব্যান্ড বলা হয় ।  যা রেজিস্টরের মানের ভারসম্য রক্ষা করে থাকে ।

প্রশ্নঃ ইলেকট্রনিক্স কাজে কোন রেজিস্টর বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে ?

⇒ ইলেকট্রনিক্স কাজে কার্বন রেজিস্টর বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।

প্রশ্নঃ সোল্ডারিং বলতে কি বোঝ? এতে ব্যবহৃত উপাদান সমূহ কি কি ও এদের অনুপাত কত হয় ?

⇒ যে পদ্ধতিতে দুই বা ততোধিক ধাতব পদার্থ সংযুক্ত বা একত্রিত করা হয় তাকে সোল্ডারিং বলে ।

এতে ব্যবহৃত উপাদান সমূহ হচ্ছে সীসা ও টিন, এদের অনুপাত ৪০:৬০ হয়ে থাকে ।

প্রশ্নঃ সোল্ডারিং এর সময় রজন ব্যবহার করা হয় কেন বা এর সুবিধা কি  ?

⇒ সংযোগস্থল ভালভাবে পরিষ্কার এবং মজবুত করার জন্য সোল্ডারিং এর সময় রজন ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।

প্রশ্নঃ কন্ডাক্টর, সেমিকন্ডাক্টর ও ইনসুলেটর বলতে কি বোঝ ?

কন্ডাক্টরঃ যে পদার্থের ভ্যলেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা ৪ এর কম তাকে কন্ডাকটর বলা হয় ।

সেমিকন্ডাক্টরঃ যে পদার্থের ভ্যলেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা ৪ টি তাকে সেমিকন্ডাক্টর বলা হয় ।

ইনসুলেটরঃ যে পদার্থের ভ্যালেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা ৪ এর বেশি তাকে ইনসুলেটর বলা হয় ।

প্রশ্নঃ ত্রিযোজি ও পঞ্চযোজি মৌল কি ? কয়েটির নাম লিখ ।

ত্রিযোজি মৌলঃ যে মৌলের যোজনী সংখ্যা ৩টি তাকে ত্রিযোজি মৌল বলা হয় ।

যেমন: গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, বোরন ইত্যাদি।

পঞ্চযোজি মৌলঃ যে মৌলের যোজনী সংখ্যা ৫টি তাকে পঞ্চযোজি মৌল বলা হয় ।

যেমন: আর্সেনিক, অ্যান্টিমনি, ফসফরাস ইত্যাদি ।

প্রশ্নঃ জার্মেনিয়ামের চেয়ে সিলিকন বেশি ব্যবহৃত হয় কেন ?

⇒ জার্মেনিয়ামের চেয়ে সিলিকন বেশি ব্যবহৃত হয় কারণ জার্মেনিয়ামের চেয়ে সিলিকন বেশি  তাপ  সহ্য  করতে পারে এবং সিলিকনের দাম কম হয়ে থাকে ।

প্রশ্নঃ হোল, ইলেকট্রন ও ডোপিং বলতে কি বোঝ?

হোলঃ হোল বলতে এটমের মধ্যে ইলেকট্রনের ঘাটতি জনিত সৃষ্ট (+ve)চার্জের আধিক্যকে বুঝায়।

ইলেকট্রনঃ এটি পরমাণুর ক্ষুদ্রতম ও গুরুত্বপূর্ণ কণিকা যা নেগেটিভ চার্জ বহন করে থাকে ।

ডোপিং: খাঁটি সেমিকন্ডাকটরে ভেজাল মিশ্রিত করে এর পরিবাহীতা বৃদ্ধি করার পদ্ধতি বা কৌশলকে ডোপিং বলা হয় ।

প্রশ্নঃ কো-ভ্যালেন্ট বন্ড ও ভ্যালেন্স ইলেকট্রন বলতে কি বোঝ ?

কো-ভ্যালেন্ট বন্ডঃ পরমাণুর শেষ কক্ষপাতের ইলেকট্রন সমূহ যে বন্ধনের  মাধ্যমে  একটি  আরেকটির  সাথে  সংযুক্ত থাকে সেই বন্ধনকে কো-ভ্যালেন্ড বন্ড বলা হয় ।

ভ্যালেন্স ইলেকট্রনঃ পরমাণুর শেষ কক্ষপাতের ইলেকট্রন সমূহকে ভ্যালেন্স ইলেকট্রন বলা হয় ।

ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স এর ভাইভাতে আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং উত্তর জানতে এখানে ক্লিক করুন

প্রশ্নঃ সেমিকন্ডাকটর কত প্রকার ও কি কি ? এদের সংজ্ঞা দাও ।

⇒ সেমিকন্ডাকটর দুই প্রকার। ১) খাঁটি সেমিকন্ডাকটর  ২) ভেজাল সেমিকন্ডাকটর

খাঁটি সেমিকন্ডাক্টরঃ ডোপিং এর পূর্বে বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাকটরকে খাঁটি  (ওহঃৎরহংরপ)  সেমিকন্ডাক্টর বলে।

ভেজাল সেমিকন্ডাকটরঃ ডোপিং এর পরে ভেজালযুক্ত সেমিকন্ডাকটরকে ভেজাল (ঊীঃৎরহংরপ) সেমিকন্ডাক্টর বলে।

ভেজাল সেমিকন্ডাকটর দুই প্রকার: ১) পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর  ২) এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর

পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরঃ কোন খাঁটি সেমিকন্ডাকটরের সাথে ভেজাল হিসেবে সামান্য পরিমাণ ত্রিযোজি মৌল যেমনঃ ইন্ডিয়াম, গ্যালিয়াম, অ্যালূমিনিয়াম ইত্যাদি মিশ্রিত করা হয় তাকে পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর বলে।

এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরঃ কোন খাঁটি সেমিকন্ডাকটরের সাথে ভেজাল হিসেবে সামান্য পরিমাণ পঞ্চযোজী মৌল যেমনঃ আর্সেনিক, এন্টিমনি, ফসফরাস ইত্যাদি মিশ্রিত করা হয় তাকে এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর বলে।

বেসিক ইলেকট্রনিক্স

প্রশ্নঃ সেমিকন্ডাক্টরের সুবিধা ও অসুবিধা লিখ ।

⇒ সেমিকন্ডাক্টরের সুবিধা

♥ সেমিকন্ডাক্টরে কম পাওয়ার লস হয় ।

♥ এর কোন তাপশক্তির প্রয়োজন হয় না ।

♥ সেমিকন্ডাকক্টরের আয়ুষ্কাল অনেক বেশি ।

♥ এটি দ্বারা তৈরী ডিভাইস খুব ছোট হয় ।

♥ এটি ভঙ্গুর নয় ।

⇒ সেমিকন্ডাক্টরের অসুবিধা

♥ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সেমিকন্ডাকটরের কন্ডাকটিভিটি বৃদ্ধি পায়।

♥ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে কো–ভ্যালেন্ড বন্ড ভেঙ্গে মুক্ত ইলেকট্রনের সৃষ্টি হয়।

♥ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে রেজিস্ট্যান্স কমে এবং তাপমাত্রা কমলে রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়।

প্রশ্নঃ বায়াসিং বলতে কি বোঝ ? ইহা কত প্রকার ও কি কি ?

⇒ কোন ট্রানজিস্টরকে সচল করার জন্য বাহির থেকে যে ডি.সি সাপলাই দেয়া হয় তাকে বায়াসিং বলে ।

বায়াসিং দুই প্রকারঃ ১) ফরোয়ার্ড বায়াসিং  ২) রিভার্স বায়াসিং

ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স এর ভাইভাতে আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং উত্তর জানতে এখানে ক্লিক করুন

প্রশ্নঃ লিকেজ কারেন্ট বলতে কি বোঝায় ?

⇒ মাইনোরিটি ক্যারিয়ারের জন্য পি-এন জাংশন ডায়োডে যে সামান্ন কারেন্ট প্রবাহিত হয় তাকে লিকেজ কারেন্ট বলে।

প্রশ্নঃ সোলার সেল এর অপর নাম কি ?

⇒ ফটো ভোল্টেইক সেল এবং এনার্জি কনভার্টার ।

প্রশ্নঃ রেকটিফিকেশন কেন করা হয় ?

⇒ এসিকে বা দ্বিমুখী কারেন্টকে একমুখী কারেন্টে রূপান্তর বা রেকটিফাই করার জন্য রেকটিফিকেশন করা হয় ।

প্রশ্নঃ নী ভোল্টেজ বা অফসেট ভোল্টেজ কাকে বলে ?

⇒ পি-এন জাংশন ডায়োডে ফরোয়ার্ড ভোল্টেজের যে মানে ফরোয়ার্ড কারেন্ট বৃদ্ধি পায় তাকে নী ভোল্টেজ বা অফসেট     ভোল্টেজ বলে।

প্রশ্নঃ ডিফিউশন ও ডিফিউশন কারেন্ট কাকে বলে ?

ডিফিউশনঃ জাংশন ভেদ করে হোল ও ইলেকট্রনের চলাচলের প্রবণতাকে ডিভিউশন বলে ।

ডিফিউশন কারেন্টঃ ডিভিউশন এর কারণে উচ্চ অঞ্চল থেকে নিু অঞ্চলে সৃষ্ট কারেন্ট প্রবাহকে ডিভিউশন কারেন্ট বলে ।

প্রশ্নঃ ডিপ্লেশন লেয়ার কাকে বলে ?

⇒ পি-টাইপ ও এন-টাইপ এর সমন্বয়ে যে ইলেক্টিক ফিল্ড সৃষ্টি করে তাকে ডিপ্লেশন লেয়ার বলা হয় ।

প্রশ্নঃ ডায়োডের লোড লাইন কাকে বলে ?

⇒ যে ফরোয়ার্ড বৈশিষ্ট রেখার উপর ডায়োডের কারেন্ট ও ভোল্টেজ এর সঠিক মান নির্নয় করা হয় তাকে ডায়োডের লোড লাইন বলা হয় ।

প্রশ্নঃ কুইসেন্ট বিন্দু কাকে বলে ?

⇒ ডায়োডের স্ট্যাটিক বৈশিষ্ট রেখা ও লোড লাইনের ছেদ বিন্দুকেই অপারেটিং বা কুইসেন্ট বিন্দু  বলে । এর মাধ্যমে আমরা নির্দিষ্ট লোড রেজিস্টেন্স যে কোন ডায়োডে কি পরিমাণ ভোল্টেজের জন্য কি পরিমাণ কারেন্ট প্রবাহ হচ্ছে তা জানতে পারি।

প্রশ্নঃ ফিল্টার সার্কিট কাকে বলে ? উহা কত প্রকার ও কি কি ?

⇒ যে সার্কিটের মাধ্যমে পালসেটিং উঈ কে খাঁটি উঈ তে পরিণত করা হয় তাকে ফিল্টার সার্কিট বলা হয় ।

ইহা পাঁচ প্রকারঃ

♥ সান্ট ক্যাপাসিটর ফিল্টার

♥ সিরিজ ইন্ডাক্টর ফিল্টার

♥ ইন্ডাক্টর ও ক্যাপাসিটর ফিল্টার

♥ রেজিস্টেন্স ও ক্যাপাসিটেন্স ফিল্টার

♥ ফিল্টার

প্রশ্নঃ রিপল ও পালসেটিং ডিসি কাকে বলে ?

রিপলঃ রেক্টিফায়ারের আউটপুট একমুখী হলেও ইহা (ডধাবভঁষষ) আকৃতিতে থাকে অর্থাৎ এ আউটপুটে উঈ এবং অঈ উভয় ধরণের কম্পোনেন্ট বিদ্যমান থাকে।

পালসেটিং ডিসিঃ রেক্টিফায়ারের আউটপুটে যে ডিসি পাওয়া যায় তা সম্পূর্ণ খাঁটি ডিসি নয়, এতে কিছুটা এসির প্রবণতা বা বৈশিষ্ট থাকে, এসি যুক্ত এ ডিসিকে পালসেটিং ডিসি বলা হয় ।

প্রশ্নঃ জিনার ডায়োড কি ?  ইহা কোন রিজিয়নে কাজ করে ?

⇒ অত্যাধিক পরিমাণে ডোপিংকৃত সিলিকন দ্বারা তৈরি পি.এন. জাংশন ডায়োড, যা রিভার্স বায়াস প্রয়োগে শার্প ব্রেক ডাউন ভোল্টেজ প্রদর্শন করে তাকে জিনার ডায়োড বলে। ইহা ব্রেক ডাউন রিজিয়নে কাজ করে ।

প্রশ্নঃ জিনার ডায়োডকে ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার হিসেবে ব্যবহার করা হয় কেন ?

⇒ কোন কারণে লোড কারেন্ট বাড়ে বা কমে তবে জিনার ডায়োড জিনার ক্রিয়ার মাধ্যমে তার কারেন্টকে সম পরিমাণ কমিয়ে বা বাড়িয়ে স্থির মানে রাখতে পারে বলে একে ভোল্টেজ ষ্ট্যাবিলাইজার হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।

প্রশ্নঃ ট্রায়াক এর ব্যবহার লিখ ।

♥ উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ল্যাম্পের সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।

♥ ইলেক্ট্রনিক সার্কিটের মাধ্যমে ট্রান্সফরমারের ট্যাপ চেঞ্জিং এ ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।

♥ রেডিও এর ইন্টাফারেন্স কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।

♥ মোটরের গতিবেগ নিয়ন্ত্রনে ব্যবহৃত হয় ।

♥ লাইট কন্ট্রোল সার্কিটে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।

প্রশ্নঃ ডায়াক এর ব্যবহার লিখ।

♥ ট্রায়াককে ট্রিগারিং করতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।

♥ তাপ নিয়ন্ত্রনে ব্যবহৃত হয় ।

♥ ইউনিভার্সাল মটরের গতি নিয়ন্ত্রণ করণে ব্যবহৃত করা হয় ।

বেসিক ইলেকট্রনিক্স

প্রশ্নঃ ভ্যারাক্টর ডায়োড কি ?  ফটো ডায়োডের সেনসিটিভিটি লিখ ।

ভ্যারাক্টর ডায়োডঃ পরিমিত ভেজাল মিশ্রিত পি-টাইপ ও এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর দ্বারা তৈরী রিভার্স বায়াসে     পরিচালিত, যার জাংশন ক্যাপাসিট্যান্স বায়াস পরিবর্তনের সাথে পরিবর্তিত হয় তাকে ভ্যারাক্টর ডায়োড বলা হয় ।

ইলেক্ট্রিক্যাল এবং ইলেক্ট্রনিক্স এর ভাইভাতে আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং উত্তর জানতে এখানে ক্লিক করুন

ফটো ডায়োডের সেনসিটিভিটিঃ আউটপুট কারেন্ট এর সাথে ইনসিডেন্ট লাইট এর অনুপাতকে ফটো ডায়োডের     সেনসিটিভিটি বলা হয়। আউটপুট কারেন্ট ইনসিডেন্ট লাইটের সাথে সুষমভাবে পরিবর্তিত হয়ে থাকে ।

প্রিয় পাঠক আমাদের আজকের আয়োজনে বেসিক ইলেকট্রনিক্স এর অতি সংক্ষিপ্ত কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর নিয়ে লিখাটা এখানেই শেষ হল । যদি আপনাদের আমাদের লিখাগুলো ভালো লাগে তাহলে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন প্লিজ । আপনাদের একটু ভালোলাগা আমাদের অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করে । আমাদের সাথেয় থাকুন ।

2 COMMENTS

  1. জাযাকাল্লাহু খইর,অনেক উপকার পাচ্ছ চালিয়ে যান,

LEAVE A REPLY